মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে (Matir Shrishti Scheme) নতুন উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ৪০০ একর জমি উর্বর করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার্থে একগুচ্ছ ঘোষণা। কি কি সুবিধা পাবেন, কারা এই সুবিধা পাবেন, জেনে নিন।
মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে ৪০০ একর জমি উর্বর করার সিদ্ধান্ত
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) উদ্যোগে চালু হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হল মাটির সৃষ্টি প্রকল্প। কৃষকদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee). পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের পাশাপাশি এই প্রকল্পটিও বহু কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। বহু অনুর্বর জমিকেই উর্বর করে কৃষিযোগ্য করে তোলার উদ্যোগে এই বিশেষ প্রকল্পটি ভূমিকা রাখে। আর এবার এই প্রকল্পে ৪০০ একর জমি উর্বর করার সিদ্ধান্ত নিল সরকার।
West Bengal Matir Shrishti Scheme
বেশ কয়েক বছর আগে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি চালু হয়েছিল। রাজ্যের বহু অনুর্বর জমিগুলি উর্বর করার জন্য রাজ্য সরকার মাটির সৃষ্টি প্রকল্প শুরু করেছিল। কিন্তু মাঝে কোভিড পরিস্থিতির পর এই প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে কোনও উদ্যোগ হয়নি। তবে এবার ফের এই প্রকল্প নতুন করে শুরু হতে চলেছে। এবং জমির পরিমাণ বাড়তে চলেছে। এলাকা বাড়তে চলেছে বাংলার পশ্চিম বর্ধমান সহ একাধিক জেলায়।
৪০০ একর জমি চাষযোগ্য করে তোলা হবে!
এ বিষয়ে জানা গিয়েছে, রাজ্যের আটটি ব্লকের জন্য মোট আটটি মাটির সৃষ্টি প্রকল্প চলছে। এই সবকটি প্রজেক্টেরই এরিয়া বৃদ্ধি করা হবে। নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মত ৪০০ একর জমি চাষযোগ্য করে তোলা হবে। আর সেই সিদ্ধান্তেই জোর দিচ্ছে রাজ্যের কৃষি দপ্তর (Agricultural Department). কৃষকদের জন্য এই প্রকল্পটি আরও সুবিধাজনক হতে চলেছে।
আরও পড়ুন, এই ভুল করলেই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন না। সতর্ক করলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার
রাজ্য সরকারের উদ্যোগ
যা জানা যাচ্ছে, রাজ্যের কৃষি দপ্তর পশ্চিম বর্ধমানের রুক্ষ ও অনুর্বর মাটিতে বিকল্প চাষের উপর জোর দিচ্ছে। এই স্থানে প্রচুর কৃষি উৎপাদন হয় না। তাই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট জেলাটিতে পরীক্ষামূলকভাবে রাগী চাষ করা হবে। এলাকার ১০০ হেক্টর জমিতে রাগী বা ফিঙ্গার মিলেট চাষ করা হবে। যদি সাফল্য আসে, তবে আগামী দিনে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে।
রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলায় আটটি ব্লক ও দুটি বৃহৎ পুর এলাকা হিসেবে আসানসোল ও দুর্গাপুর রয়েছে। এদিকে জেলায় কৃষিদপ্তরের হিসেবে আছে ১২টি ব্লক। যার মধ্যে আটটি গ্রামীণ ব্লক আর অন্য চারটি পুর এলাকার কৃষি ব্লক। যার মধ্যে এখানে সবমিলিয়ে আটটি গ্রামীণ ব্লকে ৮টি মাটির সৃষ্টি প্রজেক্টটি নেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে ঢুকবে? পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা জেনে নিন।
উপসংহার
বৃহস্পতিবার দিন আসানসোল জেলা প্রশাসনিক ভবনে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আয়োজিত হয়। পরে জেলাশাসক পোন্নমবলম এস বলেন, নতুন করে আরও মোট ৪০০ একর জমি মাটির সৃষ্টি প্রকল্পের প্রজেক্ট গুলির অধীনে আসবে। যার ফলে উপকৃত হবেন রাজ্যের কৃষকরা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে আরও তথ্য পেতে এখানে ক্লিক করুন।