Arrear DA: পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক, পঞ্চায়েত কর্মী, মিউনিসিপ্যাল ও কর্পারেশন কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। বড় খবর এলো

গত বছরি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ তথা Arrear DA মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India. যার ফলে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই অনেক সরকারি কর্মীদের একাউন্টে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার টাকা ঢুকেছে। তবে অভিযোগ ছিলো, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পেলেও বঞ্চিত ছিলেন সরকার পোশিত অর্থাৎ যারা সরাসরি সরকারি কর্মী নয়, বরং সরকার পোষিত সংস্থার কর্মী। তবে গতকালই তাদের জন্য বড় খবর এলো, বিস্তারিত জেনে নিন।

Arrear DA: শিক্ষক, পঞ্চায়েত ও মিউনিসিপ্যাল কর্মীদের ও বকেয়া ডিএ

রাজ্য অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বকেয়া ডিএ-র সুবিধা দিলেও সেটি কেবল মূল সরকারি কর্মচারীরাই পেয়েছিলেন। তারপরই অভিযোগ আসতে শুরু করে। তবে গতকালের সিদ্ধান্তে যা জানা গেছে, এবারের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে, এর আওতায় থাকছেন রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরা। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত কর্মী, মিউনিসিপ্যাল ও কর্পোরেশন কর্মীরাও এই বকেয়া টাকা পাবেন। বাদ যাচ্ছেন না সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং অনুদানপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থার কর্মচারীরাও। এমনকি রাজ্যের প্রাক্তন কর্মী ও পেনশনভোগীদের অ্যাকাউন্টেও এই টাকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

বকেয়া ডিএ কবে পাবেন?

যেহেতু এখন পর্যন্ত সরকারি কর্মীরাই পাবেন। ডিপার্ট্মেন্টে লিখিত অর্ডার পেলে সেটি হয়তো শিক্ষক, শিক্ষিকা ও পঞ্চায়েত কর্মচারীরাও বকেয়া টাকা পেতে শুরু করবেন। এই বিষয়ে ডিএ মামলার আইনজীবীর মতে, যতদিন ন্যায্য দাবি আদায় না আসছে, ততদিন আন্দোলন চলবে।

আরও পড়ুন, আজ থেকে শিক্ষক ও কর্মীদের টাকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। দেখুন

কাদের বকেয়া ডিএ পেতে সমস্যা

আসলে ২০১৬ সালে ডিএ মামলাতে শিক্ষকেরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। এরপর মামলায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু শীর্ষ আদকালতে সেটি গ্রাহ্য হয়নি। অথচ শিক্ষকদের অভয়বাণী দিয়ে যাচ্ছেন সকল কর্তারা, নইলে যে চাঁদা তোলা বন্ধ হয়ে যাবে! তাই মামলাতে অন্তর্ভুক্তি না থাকলেও রাস্তার আন্দোলনে তারাই সেরা ছিলেন। তবে এই জটিলতার মধ্যে দিয়েই বর্তমান রাজ্য সরকার গতকাল এই বিষয়ে আলোচনা করেছে।

বকেয়া ডিএ টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া ও নবান্নের বিজ্ঞপ্তি

নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের সময়কালের রোপা-২০০৯ (ROPA 2009) কাঠামো অনুযায়ী এই বকেয়া DA এর হিসাব করা হচ্ছে। অর্থ দপ্তরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, মূলত দুটি কিস্তিতে বা ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মচারীদের দেওয়া হবে। গ্রুপ ‘ডি’ তালিকাভুক্ত কর্মচারীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া টাকা ক্যাশ হিসেবে পেয়ে যাবেন। অন্যদিকে গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ ভুক্ত কর্মীদের বকেয়া টাকা তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জিপিএফ (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও সরাসরি তাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই শিক্ষক ও এইডেড কর্মীদের টাকা ঢুকবে।

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!